বাংলাদেশে বিদ্যমান সাক্ষ্য আইনটি বৃটিশ সরকারের আমলে ১৮৭২ সালে প্রণয়ন করা হয়। প্রায় শত বছর পুরনো এই আইনটিতে বিভিন্ন সময়ে কিছু সংশোধনী আনা হয়। আইনটি উপমহাদেশের সবকটি দেশেই কিছু পরিবর্তনসহ প্রচলিত আছে। এ আইনে মোট ১৬৭ ধারা রয়েছে। সমগ্র সাক্ষ্য আইনটি মূলত তিনটি ভাগে বিভক্ত, প্রথম খণ্ডের প্রথম অধ্যায়ে এই আইনের প্রয়োগক্ষেত্র ও এ আইনে ব্যবহৃত কতিপয় শব্দের সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে ৫-৫৫ ধারা পর্যন্ত সাক্ষ্যের প্রাসঙ্গিকতা আলোচনা করা হয়েছে। দ্বিতীয় খণ্ডে তৃতীয় অধ্যায় থেকে ষষ্ঠ অধ্যায় পর্যন্ত মোট চারটি অধ্যায়ে ৫৬ থেকে ১০০ ধারা পর্যন্ত সাক্ষ্য প্রমাণের পদ্ধতি বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে। তৃতীয় খণ্ডে অবশিষ্ট ৫টি অধ্যায়ে ১০১ থেকে ১৬৭ ধারা পর্যন্ত কে-কিভাবে সাক্ষ্য উপস্থাপন করবে তা বর্ণিত হয়েছে। দেওয়ানি ও ফৌজদারি কার্যবিধির মত সাক্ষ্য আইনটিও একটি পদ্ধতিগত আইন। বাংলাদেশের সকল নিম্ন আদালত ও উচ্চ আদালতে দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিষয়ে মামলা প্রমাণে সাক্ষ্য আইনের বিধানাবলি প্রয়োগ করা হয়।
| Category: | Bar Council Exam Preparation |
|---|


Be the first to review “The Evidence Act, 1872”